অভিজিত হত্যা

ব্লগার ও লেখক অভিজিত রায়কে হত্যার ঘটনায় ফারসীম মান্নানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনার জবাবে ফেসবুকে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা।ফেসবুক স্ট্যাটাসটিতে রাফিদা আহমেদ লিখেন,“আমাদের আক্রমণের পিছনে ফারসীম মান্নানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন। না না, ভুলেও ভাববেন না পুলিশ বা বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের কেউ করেছেন। বাংলাদেশের সরকার, পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনদিন কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। তবে অগুনতি সোশ্যাল মিডিয়াবাসী করেছেন। গতবছর আক্রমণের পরপর তো করেছেনই আবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আঙ্গিকে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতেও করেছেন। এবারের গুলশানের জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এবং বিশেষ করে হাসনাত করিমের সংশ্লিষ্টত

ব্লগার ও লেখক অভিজিত রায়কে হত্যার ঘটনায় ফারসীম মান্নানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনার জবাবে ফেসবুকে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা।ফেসবুক স্ট্যাটাসটিতে রাফিদা আহমেদ লিখেন,“আমাদের আক্রমণের পিছনে ফারসীম মান্নানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন। না না, ভুলেও ভাববেন না পুলিশ বা বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের কেউ করেছেন। বাংলাদেশের সরকার, পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনদিন কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। তবে অগুনতি সোশ্যাল মিডিয়াবাসী করেছেন। গতবছর আক্রমণের পরপর তো করেছেনই আবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আঙ্গিকে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতেও করেছেন। এবারের গুলশানের জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এবং বিশেষ করে হাসনাত করিমের সংশ্লিষ্টত

বিজ্ঞানমনস্ক লেখক, প্রবাসী প্রকৌশলী ডক্টর অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ২ জনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। তাদের গ্রেফতারে শুরু হয়েছে চিরুনি অভিযান। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ওই দুজনকে গ্রেফতার করা গেলে রহস্য অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।অমর একুশের বই মেলা থেকে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে টিএসসি এলাকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে অভিজিৎ রায়কে। সেসময় মারাত্মক আহত হন তার স্ত্রী বন্যা। তদন্তে নামে পুলিশ ডিবি, র‌্যাব ও সিআইডি। সহায়তার হাত বাড়ায় এফবিআই।সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় চিহ্নিত করা হয় ৭ জনকে। প্রমাণ পাওয়া যায় এরাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অভিজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ৭ জনের মধ্যে দু’জনের নাম-পরিচয় এখন ডিবির হাতে। দু’জনেরই ঠিকানা পাওয়া গেছে

প্রবাসী ব্লগার অভিজিত হত্যায় জড়িত সন্দেহে আটক আনসার উল্লাহ বাংলা টিম প্রধানের ছোট ভাই আবুল বাশারসহ তিন জঙ্গিকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি। আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে জঙ্গিরা বলেছে গত এক মাস ধরে আইন শৃংখলা বাহিনীর হেফাজতে ছিলো তারা। শুক্রবার বিকেলে ঢাকার সি এম এম আদালতে আনা হয় আনসার উল্লাহ বাংলা টিম প্রধানের ছোট ভাই আবুল বাশারসহ তিন জঙ্গিকে। হাজির করা হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট শাহরিয়ার মাহমুদ আননানের আদালতে। অনুমতি নিয়ে আদালতে বক্তব্য দেন তিন জঙ্গি। বেআইনিভাবে তাদেরকে আটকের কথা জানান তারা। বলেন অভিজিত হত্যা সম্পর্কে তাদেরকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।আসামীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোঃ আহসান হাবিব বলেন, সাধারণ পোশাকে ডিবি পরিচয়ে ৬জন লোক কপালে অস্ত্র ঠেকিয়ে তাদের

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বইমেলা থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন আমেরিকাপ্রবাসী ব্লগার অভিজিত রায়। সেই সময় তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী বন্যা আহমেদকেও কুপিয়ে আহত