অনলাইন সাংবাদিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক মাধ্যমের ‘সাংবাদিকীয়’ ব্যবহারের ওপর পরিচালিত এক গবেষণার আলোকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাংবাদিকতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ - সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টিকে বাংলাদেশে সবার আগে গুরুত্ব দেয়া দরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে সাংবাদিকতা, অথবা সাংবাদিকতায় সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার – যেভাবেই বলা হোক না কেন, বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতায় যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো খুব বেশিই সম্পৃক্ত হয়ে যাচ্ছে, তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগই নেই। তবে নেতিবাচক ভাবে না দেখে একে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর পক্ষেই গবেষকরা। বছর চারেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ওকলাহোমার গেইলর্ড কলেজ অফ জার্নালিজম অ্যান্ড ম্যাস কমিউনিকেশন-এর দুই শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড এ ক্রেইগ এব

By তানজীমা এলহাম বৃষ্টি on বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:০৩

সাংবাদিকতার শিক্ষকসহ সাংবাদিকরাই সূত্রবিহীন খবর আর নৈতিকতার চর্চা না থাকার সাংবাদিকতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ‍উপলক্ষে ‘অনলাইন সাংবাদিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা’ বিষয়ক সেমিনারে অধ্যাপক শফিউল আলম ভুঁইয়া বলেছেন,সংবাদপত্র এবং অনলাইন পত্রিকাগুলোর রিপোর্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় অনেক জায়গায় নির্ভরযোগ্য কোন সূত্র নেই। ওইসব প্রতিবেদনের অধিকাংশই জানা গেছে, শোনা গেছে জাতীয় শব্দে ভর্তি। অনলাইনে যখন কোন সংবাদ প্রকাশিত হয় তখন তার কোন সীমানা থাকে না বলে অন্য সংবাদমাধ্যম থেকে অনলাইন পত্রিকাগুলোর দায়িত্ব অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং ফটোগ্রাফি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ

By সাখাওয়াত আল আমিন on শনিবার, ১৩ মে ২০১৭ ১৯:১৩