অকাল বন্যা

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ ১৩টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিতে মানুষ খেতে না পেয়ে হাহাকার করলেও মন্ত্রী-এমপি’রা ঢাকায় বসে আরাম-আয়েশে জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, গণমাধ্যমে বানভাসি অসহায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠলেও সরকার বন্যাদুর্গতদের পাশে নেই। মন্ত্রী-এমপি’রা ঢাকায় বসে আরাম-আয়েশে জীবনযাপন করছেন।তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, দুর্গত এলাকায় গিয়ে সরকারের দু’একজন মন্ত্রী ফটোসেশন করে ঢাকায় ফিরে

By সাইফুল্লাহ সাদেক on শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭ ১৭:২১

শ্যামল ভৌমিক: কুড়িগ্রামে বন্যায় সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া সবজি ক্ষেত এখন কোনোভাবেই রক্ষা সম্ভব নয় বলে মনে করছে কৃষক এবং কৃষি বিভাগ।তারা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার আগেভাগেই বন্যা চলে এসেছে। তাই যেসব নিচু এলাকা থেকে কৃষকরা বন্যার আগেই সবজিসহ বিভিন্ন ফসল তুলে নিতে চেয়েছিলেন, তা পারেননি। এর ফলে বড় ধরণের ক্ষতির শিকার হয়েছেন প্রান্তিক কৃষক।গত কয়েকদিনের বন্যায় ইতোমধ্যে জেলা সদরের মোগলবাসা, যাত্রাপুর, পাচগাছি, হলোখানা, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া, বুড়াবুড়ি, চিলামারী উপজেলার নয়ারহাট, সাহেবের আলগাসহ ৪০ ইউনিয়নের ৪শ’ ৫০ গ্রাম পানিতে ডুবে আছে।কৃষি বিভাগ বলছে, এরই মধ্যে ৩ হাজার ৩শ’ ২০ হেক্টর জমির সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল পুরোপুরি ডুবে গেছে।বিস্

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭ ১৬:২৩

সিলেটে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায় ফসল হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই এখনও ত্রাণ সহায়তা পায়নি। সরকারি বরাদ্দ কম থাকার পাশাপাশি যাচাই-বাছাই না করে ত্রাণ বিতরণের কারণে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হচ্ছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যায়ক্রমে তাদেরও ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে।সিলেটে সরকারি হিসাবে বন্যা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ২ লাখ ১২ হাজার ৫শ৭০টি। বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আর ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে মাসে ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫শ টাকা করে দেয়া হচ্ছে ৫০ হাজার পরিবারকে। বেশির ভাগ পরিবারই এখনো ত্রাণ সহায়তার বাইরে রয়ে গেছে।প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ সরবরাহ কম থাকায় সবাইকে দেয়া যাচ্ছে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে এর আওত

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ১০ মে ২০১৭ ১০:৪১

হাওরে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে পানি আসে। তবে, এবার আগাম বন্যায় ডুবে গেছে পুরো হাওর এলাকা।কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবনজীবিকা ঘোর সংকটে। লাখ লাখ হেক্টরের বোরো ধান এখন পানির নীচে। অর্ধাহারে, অনাহারে মানুষ কোনভাবে কাটাচ্ছে দিন-রাত।মাছ, হাস, গবাদিপশু- সব শেষ হয়ে একরকম দিকহারা হয়ে পড়েছে এখানকার মানুষ যার বেশিরভাগই কৃষক।ঘরে নিজের ও পরিবারের খাবার নেই। গবাদি পশুকেই বা কী খাওয়াবে? স্বল্পদামে বিক্রি করতে হচ্ছে গরু-ছাগল। অনেকেই ঘর ছাড়ছে, গ্রাম ছাড়ছে কাজ ও খাদ্যের সন্ধানে। রাজধানীমুখী হচ্ছে মানুষ। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে হাটিরক্ষা বাঁধ না দিতে পারায় এবার মানুষজন তাদের বসতবাড়িই হারাবে হাওরের গর্ভে। আফাল-এ (হাওরের শক্তিশালী ঢেউ) ভেঙে যাবে সব। আর এতো বিপদে সহজেই তারা পাচ্ছেনা ত্রাণ সুবিধা।হ

By তানভীর আশিক on সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:০০

অকাল বন্যায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার সাধারণ কৃষক। ফলস ঘরে তোলার মাত্র ১০-১২ দিন আগে এমন দুর্যোগে হতবিহল অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে তারা। তবে, তাদের পুনঃর্বাসনে এখন পর্যন্ত নেই কোনো আশ্বাস। এদিকে, বন্যার কারণ হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দোষারোপ করা হলেও জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী বলছেন: যে জায়গা দিয়ে পানি ঢুকছে সেখানে বাধ রক্ষায় কোনো বরাদ্দ ছিলো না।গতকাল রাতে নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর সবচেয়ে বৃহৎ দুটি বাঁধ কীর্তন খোলা ও নাইওরীরখাল বাধ ভেঙ্গে গেছে। এর ফলে পাঙ্গাসিয়া, মরানদী, কাঠালজান এবং দিরাই উপজেলার সুরমা নদীর পর্যন্ত পানি প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে প্রায় ২ থেকে আড়াইহাজার হেক্টর জমির বোরো ফসল।উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,

By মাহবুব মোর্শেদ on মঙ্গলবার, ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:১২