অং সান সু চি

বিপুল পরিমাণে তথ্য-প্রতিবেদন থাকার পরও মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর হত্যা-নির্যাতন চালানোর কথা অস্বীকার করেছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চি।বিবিসি’কে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি বলেন, মিয়ানমারের অধিকাংশ রোহিঙ্গার আবাসস্থল রাখাইন রাজ্যে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু সমস্যাটির প্রেক্ষিতে জাতিগত নির্মূল চালানো হচ্ছে - এই কথাটি ‘খুব বেশি কড়া’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।মিয়ানমারের এই বর্তমান নেতা বরং বলেন, দেশ পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা ফিরে এলে তাদের তার সরকার দু’হাত খুলে স্বাগত জানাবে।সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে বিবিসির বিশেষ সংবাদদাতা ফারগাল কিনের এক প্রশ্নের জবাবে অং সান সু চি বলেন, ‘আমার মনে হয় না (রাখাইনে) কোনো ধরণের জাতিগত নির্মূল প্রক্রিয়

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ০৯:৪৫

রোহিঙ্গা নিধন সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে মিয়ানমারের শীর্ষ নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সু চি-কে রাখাইন প্রদেশ পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক উপদেষ্টা বিজয় নামবিয়ার এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের শীর্ষ নেত্রীর প্রতি রোহিঙ্গা দমনে চলমান সেনা অভিযান বন্ধে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান।বিজয় নামবিয়ার বলেন, ‘চলমান রোহিঙ্গা বিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগোষ্ঠী বিপন্ন হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় সহিংসতা প্রবণ এলাকায় গিয়ে জনগণকে নিরাপত্তার আশ্বাস দেয়ার জন্য মিয়ানমারের নেত্রী সু চি’র প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি’।মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের দক্ষিণে সেনাদের বিরুদ্ধে হত্যা,ধর্ষণ এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠায় প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন নো

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৫৬

মিয়ানমারে বৌদ্ধ-রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্মম অত্যাচারে সারা বিশ্ব সরব থাকলেও নিশ্চুপ ছিলেন দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার পর মালয়েশিয়াও মিয়ানমারে চলমান সংঘাতকে ‘জাতিগত নির্মূলকরণ’ বলে অভিহিত করেছে।মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আতঙ্কিত রোহিঙ্গারা ভীড় জমাতে থাকলে বাংলাদেশের জন্যও বিষয়টি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত সমস্যা। অন্যদিকে শান্তিতে নোবেল জয়ী সু চি’র দেশে হওয়া অশান্তিতেও চুপ থাকায় বিশ্বজুড়ে তার নোবেল কেড়ে নেয়ার দাবি বারবার উঠেছে।যাকে কেন্দ্র করে এমন আলোচনা, সেই সু চি বিষয়টি নিয়ে এতোদিন ছিলেন নিশ্চুপ। তবে শনিবার সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুললেও বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গাদ

By তানজীমা এলহাম বৃষ্টি on রবিবার , ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৫

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়েছেন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) নেত্রী অং সান সুচির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত থিন কিয়াও। আজ বুধবার রাজধানী নাইপিডোতে এক ঐতিহাসিক ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শপথ নেন তিনি।নির্বাচনে বিশাল জয় পেলেও সন্তান ও স্বামী ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী হওয়ায় সংবিধান সু চি'র প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট যেই হোক না কেনো, সর্বময় ক্ষমতা থাকবে সু চি'র হাতেই।চলতি মাসের প্রথমদিকে মিয়ানমারের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ৬৯ বছর বয়সী থিন কিয়াওয়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। উচ্চকক্ষ ও সেনাব্লক থেকেও একটি করে নাম প্রস্তাব করা হয়। পরে এই তিন প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে ভোটাভুটি হয় পার্লামেন্টে। এতে ৬৫২ ভোটের মধ্যে ৩৬

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ৩০ মার্চ ২০১৬ ১১:৩৮