অং সান সুচি

সংলাপের মাধ্যমে সকল দ্বিপাক্ষিক বিষয় সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।গতকাল সোমবার জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি’র সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ ব্যাপারে সম্মত হয় দুই দেশ।বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব ইহসানুল করিম জানান, এই দুই নেতা প্রতিবেশী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন এবং সংলাপের মাধ্যমে তা সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হন। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কফি আনান কমিশনকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের মাটিত

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:২২

সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে সামরিক প্রতিনিধিদের ব্যাপক বিরোধীতার মুখে অং সান সুচির জন্য প্রধানমন্ত্রী সমতুল্য ‘রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা’ পদ সৃষ্টি করে একটি বিল মিয়ানমারের সংসদের নিম্নকক্ষে পাশ হয়েছে। এখন তা আইনে পরিণত করতে প্রয়োজন শুধু প্রেসিডেন্সিয়াল অনুমোদন। যেখানে সুচি’র অনুগত ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী থিন কিউ প্রেসিডেন্ট পদ অলঙ্কৃত করছেন। মিয়ানমারের সংসদের এক চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করা অনির্বাচিত সামরিক সদস্যরা এই সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য শুধু ভোট দিতে অস্বীকৃতিই জানাননি, তারা সংসদে দাড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং বিলটি সংবিধানবিরোধী বলে অনবরত অভিযোগ করতে থাকেন। রাজধানী নেপিডোয় অবস্থিত দেশটির সংসদ এর আগে কখনও এরকম একটি ঝঞ্চামুখর অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেনি। কিন্তু গত বছ

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:১৮

মিয়ানমারের সরকার ব্যবস্থায় একটি বিশেষ উপদেষ্টার পদ সৃষ্টি করে অং সান সু চি’র ক্ষমতা জোরদারের পরিকল্পনা অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেছে দেশটির সামরিক এমপিরা। ফলে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় সামরিক বাহিনীর সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লো দেশটির সদ্য ক্ষমতাসীন বেসামরিক সরকার।গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী সু’চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) মনোনীত প্রেসিডেন্ট থিন কিউ এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা গত বুধবার শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে দেশটিতে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ছিল।সাংবিধানিক বিধিনিষেধের জন্য অং সান সু চি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। এ সত্ত্বেও তিনি দেশ শাসনের অঙ্গীকার করেছেন। এনএলডি সু চি’র জন্য ‘রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা’র মতো নতুন পদ সৃষ্টি করতে গতকাল

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১৮:২৬

মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সুচির জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদ মর্যাদার মতো একটি নতুন পদ তৈরী করতে যাচ্ছে মিয়ানমারের নতুন সরকার। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন পদটির নাম হতে পারে রাষ্ট্রের উপদেষ্টা। আর এ নতুন পদ পেলে সরকার নিয়ন্ত্রণে আরো বেশি ক্ষমতাধর হবেন সুচি।অতিরিক্ত এ পদটি সৃষ্টির খসড়া প্রস্তাবটি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হতে পারে। এর আগে বুধবার সকালে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পর মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করে দেশটির পার্লামেন্ট। এতে পররাষ্ট্র, প্রেসিডেন্ট কার্যালয়, শিক্ষা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় সুচিকে। সাংবিধানিক বাধা থাকায় প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও প্রেসিডেন্ট তার অধীনেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন সুচি।

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০১৬ ১৩:৪২

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি দেশটির মন্ত্রিসভায় যোগদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এর ফলে দেশটির গণতন্ত্রপন্থী এই নেত্রী মিয়ানমারের প্রশাসনে একটি আনুষ্ঠানিক পদ পেতে যাচ্ছেন। তবে সু চি ছাড়া ১৮ জনের মন্ত্রিসভায় আর কোনো নারী সদস্য নেই।নির্বাচনে বিপুল জয় পেলেও মিয়ামারের সংবিধান অনুযায়ী তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। পার্লামেন্টের স্পিকার মান উইন খাইং থান মন্ত্রিসভা সদস্যদের তালিকা পাঠ করেন। সু চি’র রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি এই তালিকাটি প্রণয়ন করে। তবে নোবেল বিজয়ী এই নেত্রী মন্ত্রণালয়ের কোন দফতর পেতে যাচ্ছেন তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী অং সান সু চি’কে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে। শুধু তা-ই নয় তার নাম রাখা হয়েছে চারটি