বাংলা ভাষায় বিশৃঙ্খলা

শেষ মুদ্র্রিত যে সংবিধান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে তাতে ১১৪ ধরণের বানান অসঙ্গতি ও মুদ্রণ ভুল পাওয়া গেছে। সংবিধান গবেষকরা বলছেন, একই বানান একই পৃষ্ঠায় ভুলভাবে ৪ বার লেখা হয়েছে। অনেক বানান ১৯৭২ সালের

By মাশরুর শাকিল on সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭ ১৭:১৬

প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন, মুখ থেকে কলমে ভাষা যায়। প্রমথ চৌধুরীর সময় কলমের সংখ্যা কম ছিল। আজ আর তা নেই। আজ কলমের সংখ্যা বেড়েছে। ইচ্ছে করলেই দু’কলম প্রচার করা সম্ভব। তা সে হোক স্বল্প বা বেশি পরিসরে। আর সেই জন্য কলম থেকে মানুষের মুখে সংক্রমিত হওয়ার সংখ্যাও বেশি।কলম বলতে গণমাধ্যমকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। পত্রিকা, বই, বেতার টেলিভিশন, ইত্যাদি। এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে সব ছক বদলে গেছে। কোন প্রকার বিনিয়োগ বা প্রতিষ্ঠান ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজেকে প্রচার করা সম্ভব। গণমাধ্যম অনেক বেশি মানুষের দোরগোড়ায়। তাই এর ভাষা অবশ্যই প্রভাব ফেলছে মানুষের কথা বলায়।কোন কোন ভাষা বিজ্ঞানী মনে করেন, ভাষা নিয়ে ভাবার কিছু নেই। নদীর স্রোতের মত তার নিজের ইচ্ছায় চলতে থাকবে। ভাঙবে আবার গড়বে। আবার অনেকে মনে করেন, এ

By রফিকুল বাসার on শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৭:২২

গত দুই বা তিন দশকে বেশ কিছু শব্দ ইংরেজি বা অন্য বিদেশি ভাষা থেকে বাংলায় মিশেছে। মিশে যাচ্ছে অথবা এখন অহরহ ব্যবহার হচ্ছে। ভবিষ্যতে এগুলো বাংলা শব্দ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আশপাশের কথাবার্তায় শিশু ও তরুণরা এই কথাগুলো স্বাভাবিক হিসেবেই নিচ্ছে। নিজস্ব শব্দগুলো ভুলে যাচ্ছে।দৈনন্দিন নিজস্ব যে শব্দগুলো বাদ দিয়ে বিদেশি ব্যবহার হচ্ছে তাহলো, অধ্যাপক>প্রফেসর, সালাম/আদাব/নমস্কার>হাই, খোদা হাফেজ>বাই, দুঃখিত>সরি, সকালের ব্যায়াম বা হাঁটা>মর্নিংওয়াক, দাঁত মাজা> দাঁত ব্রাশ, গোসলখানা>বাথরুম/ওয়াশরুম, পায়খানা>টয়লেট, দুপুরের খাবার>লাঞ্চ, রাতের খাবার>ডিনার, রান্নাঘর>কিচেন, বৈঠকঘর বা বাইরের ঘর>ড্রাইং রুম, শোবারঘর>বেডরুম, খাবার ঘর>ডাইনিং রুম, শিক্ষক>টিচার, খাতা>নোট বুক, শ্রেণি>ক্লাশ, দ্বিত

By রফিকুল বাসার on শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৬:২৫

বাংলা ভাষায় প্রতিনিয়ত ঢুকছে বিদেশি শব্দ। তাতে করে অনেক প্রচলিত শব্দ হারাতে বসেছে। মানুষের মুখে মুখে যেমন, তেমনি সরকারিভাবেও প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বিদেশি শব্দ আত্তীকরণ করা হয়েছে। দুইদশকে বাংলায় সরকারিভাবে দুই হাজার ৫০০ নতুন শব্দ ঢোকানো হয়েছে। যার পুরোটাই বিদেশি। এরমধ্যে আঞ্চলিক বা উপভাষা থেকে একটি শব্দও আনা হয়নি।ভাষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপ্রয়োজনীয় শব্দ আত্তিকরণ না করা ভাল। শেখা উচিত নিজস্ব পরিভাষা তৈরির। তাহলে ভাষা সমৃদ্ধ হয়। বিদেশি শব্দ নিতে হবে কিন্তু তা হড়ে গড়ে নয়। বেছে বেছে। যা আমাদের মনের কথা সহজে প্রকাশ করতে সহায়তা করবে, তা নিতে হবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষ (বাবাকো) প্রশাসনিক পরিভাষা তৈরি করে। দুইদশক পরে বাবাকো নতুন করে প্রশাসনিক পরিভাষা প্রকাশ ক

By রফিকুল বাসার on বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৯:৪৮

দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আজ যে মিষ্টি বাংলা ভাষা তা আমাদের গর্ব। এই ভূখণ্ডের ফলা থেকে উঠে আসা এক একটি বর্ণ আমাদের অহংকার। দেড় হাজার বছর ধরে এই ভূখণ্ডের মানুষের বাক সংকেত এখন বাংলা ভাষা। হাজার বছরের ঐতিহ্য নিয়ে বাংলা আজ পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে। সে বর্ণ এখন আর নেই, যা প্রথমে ছিল। নানা সময় পণ্ডিতরা তা পরিবর্তন করেছেন।এক কোটি, দুই কোটি, আড়াই কোটি মানুষের মুখ থেকে যে ভাষা এখন ৩০ কোটির কণ্ঠে যে ভাষা এখন মাতৃভাষা হিসেবে পৃথিবীর কণ্ঠে তা নিয়ে ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই বর্ণ কি পরিবর্তন হতে চলেছে? যে বর্ণ এখন আমরা লিখছি তা এক সময় ছিল না। এর চেহারা পরিবর্তন হয়েছে কয়েকবার। আরও কয়েক শত বছর পর কি এই চেহারাও পরিবর্তন হবে- পরিবর্তন হবে কি এর বাক্যগঠন প্রক্রিয়া?  আমরা কি পরিবর্তন হতে দেব না বর্তমান অব

By রফিকুল বাসার on বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৬:৫১