অসহযোগ থেকে মুক্তিযুদ্ধ

'যৌথ প্রযোজনা'র নামে যৌথ প্রতারণা' বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে চলচ্চিত্রের ১৪টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত চলচ্চিত্র ঐক্যজোট।  রবিবার দুপুর ১২টায় এফডিসি থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়। পরে এফডিসির মূল ফটকের সামনে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। সেখানে বক্তব্য রাখে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রাঙ্গণের শিল্পী-কলাকুশলীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ফারুক, মিশা সওদাগার, রিয়াজ, বাপ্পী, সাইমন, ইমন, জায়েদ খান, রুবেল,  চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পপি,পরিমনি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি গুলজার প্রমুখ।'সেন্সরবোর্ডের দালালরা হুঁশিয়ার-সাবধান, সেন্সর বোর্ডের অনিয়ম- মানি না মানবো না'- এমন স্লোগানে রাজপথ আলোড়িত করে  এফডিসি গেইট থেকে ইস্কাটনে চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড ঘেরাও করতে এ

By ওবায়দুল হক তুহিন on রবিবার , ১৮ জুন ২০১৭ ২২:৪৬

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বুধবার বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সব ধর্মের সমান অধিকারে বিশ্বাস করে বিএনপি। এসময় আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, কার প্রতি আস্থা রয়েছে সে প্রশ্নের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমেই দেবে।বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে: 

By রাহুল রায় on বুধবার, ০৭ জুন ২০১৭ ১৪:০৮

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত হবিগঞ্জের মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া। ১৯৭১’র ৪ঠা এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণী বৈঠক হয়। তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকে সারাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য ৪টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।ঐতিহাসিক এ স্থানকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সরকারিভাবে দিনটি পালনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।১৯৭১’র এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুরের চা বাগান বেষ্টিত তেলিয়াপাড়া ডাক বাংলো থেকে সারা দেশকে মুক্তিযুদ্ধের ৪টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। সেখানে জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল ঠিক করা হয়। সেসময় ছিলেন সামরিক কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক নেতারা।আজকের দিনেই হানাদার পাকিস্তানি বহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধের সূচ

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:০৬

খুলনা প্রতিনিধি: এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাংলার যে কয়জন বীর সন্তান আত্মত্যাগ করেছেন তাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অন্যতম। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পলাশ যুদ্ধজাহাজে ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশিয়ার এর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ১০ ডিসেম্বর রুহুল আমিন ও তার সহযোদ্ধা মহীবুল্লাহ শহীদ হন খুলনা শিপইয়ার্ডের অদূরে।চালনা বন্দর, হিরন পয়েন্ট এবং খুলনার তিতুমীর নৌঘাটি দখলের উদ্দেশ্যে যুদ্ধজাহাজ পলাশ ও পদ্মা ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে খুলনা অভিমুখে রওনা হয়।১০ ডিসেম্বর খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে পৌঁছালে মিত্র বাহিনীর তিনটি যুদ্ধ বিমান ভুল বশত বোমা নিক্ষেপ করে। কমান্ডারের নির্দেশে এ দুটি জাহাজের যোদ্ধারা জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেও রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুমে থেকে জাহাজকে নি

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০১৭ ১৪:৫৯

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামক যে হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে, তার তিনটি লক্ষ্যস্থলের একটি ছিল পিলখানায় ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) সদর দপ্তর। সেখানে মোতায়েন পাঁচ হাজার ইপিআর জওয়ানকে নিরস্ত্র করা এবং ওয়্যারলেস ব্যবস্থা নিজেদের দখলে নেয়া ছিলো সেখানে হামলার উদ্দেশ্য।বাঙালি ইপিআর সদস্যদের মধ্যে অনেকেই বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি, ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। তাই ২৩ মার্চ পাকিস্তানি আর্মির কড়া নজরদারী উপেক্ষা করে ইপিআর হেড কোয়ার্টারের ১১ নম্বর প্যারেড গ্রাউন্ডের পাশে একটি গাছের মাথায় তারা উড়িয়েছিলেন স্বাধীন বাংলার পতাকা। এ কারণে বাঙালি ইপিআর সদস্যদের গতিবিধির ওপর ছিলো পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দাদের নিবিড় নজরদারি।নিরাপত্তা বিশ্লেষ

By নাসিমুল শুভ on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৭:২৩

আনিসুজ্জামান ডাবলু, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে বিত্তিপাড়া বাজার। ৭১এ’ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী সেখানে ক্যাম্প বসিয়ে অসংখ্য নিরীহ বাঙালিকে ধরে এনে নির্বিচারে হত্যা করে। ২০০৩ সালে বধ্যভূমি হিসেবে সনাক্ত করে স্মৃতিফলক স্থাপন করা হলেও এখন তা অরক্ষিত।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিত্তিপাড়া বাজারের তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ক্যাম্প স্থাপন করে পাকিস্তানি বাহিনী। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষদের ধরে এনে নির্যাতন করা হতো। স্বাধীনতার পর ওই বদ্ধভূমি থেকে মানুষের মাথার খুলি ও হাড় দু’টি পিক আপে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছিলো।২০০৩ সালে স্থানীয় কৃষি বিভাগের এ জায়গাটি বধ্যভূমি হি

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৫:৫৪

চলচ্চিত্রকে বলা হয় সমাজ বদলের বড় একটি হাতিয়ার। সাধারণ মানুষের জীবনবোধের প্রতিফলন ঘটে চলচ্চিত্রে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার হলেও খুব কমই নির্মিত হয়েছে এর উপর চলচ্চিত্র। তাই আক্ষেপের শেষ নেই চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের।গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র  ‘জীবন থেকে নেয়া’ যা সামাজিক প্রেক্ষাপটে গভীর দাগ কেটেছে।১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ছবিতে দেখানো হয়েছে একগোছা চাবির মধ্য দিয়ে পাকিস্তানী স্বৈরচারী শাসন ক্ষমতা, প্রভাতফেরির চিত্র এবং ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান। এ চলচ্চিত্রে ব্যবহার হয়েছে দুটি গান- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ ও ‘আমার ভাইয়ের রক্তে

By সৈয়দ নূর-ই- আলম on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৫:৩৯

একাত্তরের ২৫ মার্চে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুধু একটি রাতের হত্যাকাণ্ডই ছিল না, এটা ছিল মূলতঃ বিশ্ব সভ্যতার জন্য এক কলঙ্কজনক জঘন্যতম গণহত্যার সূচনামাত্র। এর প্রত্যক্ষদর্শীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির লেখায় উঠে এসেছে ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের ভয়াবহ সব বর্ণনা।অস্ট্রেলিয়ার ‘সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি লেখা থেকে জানা যায়, শুধুমাত্র পঁচিশে মার্চ রাতেই বাংলাদেশে প্রায় এক লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা গণহত্যার ইতিহাসে এক জঘন্যতম ভয়াবহ ঘটনা। পরবর্তী নয় মাসে একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার লক্ষ্যে ৩০ লাখ নিরপরাধ নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পূর্ণতা দিয়েছিল সেই বর্বর ইতিহাসকে।মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৩:৫২

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে সব আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে ভুমিকা পালন করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল হানাদার পাকবাহিনীর আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য। ‘অপরাশেন সার্চলাইটের’ আওতায় ২৫ মার্চ কালরাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গণহত্যা শুরু করা পাকবাহিনী পরাজয়ের ঠিক পূর্বমুহূর্তে আবারও আক্রমণ চালায় এ বিশ্ববিদ্যায়েই। জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান শিক্ষকদের হত্যা করে স্থাপন করে ইতিহাসের জঘন্যতম দৃষ্টান্ত।স্বাধীনতার পর নির্মম সে গণহত্যার জন্য ক্ষমা না চেয়ে বারবার সে দায় অস্বীকার করে আসছে পাকিস্তান। এর প্রতিবাদে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশটির সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে সহস্র শহীদের রক্তের দাগ বয়ে বেড়ানো দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানটি। স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর ২০১৫ সালের ১

By সাখাওয়াত আল আমিন on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১২:৩৩

২৫ শে মার্চ। তারিখ অার এই শব্দটিই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে ১৯৭১ সালের পর থেকে। এই দিনে বাংলাদেশে নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায় হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী। তবে সেই ২৫শে মার্চের নারকীয়তা নিয়েও সন্দেহের বীজ আছে যেন অনেকের মনে। সেই নারকীয়তার পরে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ হারানো ৩০ লাখ শহীদের কথা যেন মানতে চান না অনেকেই। কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেন এই সংখ্যাটি নিয়েও। সেই সন্দেহের অবকাশ না রাখতেই সংসদে ২৫ শে মার্চকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালনের প্রস্তাব দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের এমপি শিরিন আখতার।চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি শোনান সেই গল্পই। বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বড় অংশ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। সেটার প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনীর ঘটানো গণহত্যা বিশদ বর্ণনা ও আলোচনার অংশ হওয়ার কথা। কিন্তু সে

By শর্মিলা সিনড্রেলা on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১২:১৮