ফিরে দেখা ১৮-২১ মে, ১৯৯৬

১৯৯৬ সালের শুরুতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান, ১৫ জানুয়ারির নির্বাচন এবং সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করার ফলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং সেনাপ্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মাদ নাসিমের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তৈরী হয়েছিল তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৮ মে রাষ্ট্রপতির আদেশে সেনাপ্রধান অনুগত দুজন শীর্ষস্থানীয় সেনাকর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে।রাষ্ট্রপতির আদেশে বাধ্যতামূলক অবসর পাওয়া ‍দুজন সেনাকর্মকর্তা ছিলেন বগুড়া ডিভিশনেরর জিওসি মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান এবং তৎকালীন বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) উপ-মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিরন হামিদুর রহমান।সেই

By সাখাওয়াত আল আমিন on বুধবার, ২৪ মে ২০১৭ ২১:৪৮

১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে উপযুক্ত রদবদল আনায় সেনাবাহিনীতে যে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছিল তাতে ফাটল ধরে বিএনপি সরকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টায়। এ বিভাজন প্রথমে প্রকাশ পায় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ‘বিতর্কিত’ নির্বাচনের সময় এবং চূড়ান্ত আকার ধারণ করে ১৯৯৬ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বিভাজিত বাহিনীর মুখোমুখী অবস্থানের মধ্য দিয়ে।ওই সময়ের ঘটনা বিশ্লেষেণ করে রচিত বিভিন্ন বইপত্রে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানে বিভাজনের পেছনে মূলতঃ দুটি কারণ উঠে আসে। তা হলো নির্বাচনে জিততে এবং বিরোধীদের দমনের সেনাবাহিনীকে ব্যবহারের চেষ্টা এবং সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে

By সাখাওয়াত আল আমিন on মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০১৭ ১৯:৫০

তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস ও সেনাপ্রধান লে. জেনারেল নাসিমের মধ্যে আগে থেকে চলা দ্বন্দ্ব ১৯৯৬ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে চরম আকার ধারণ করে। দুজন উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতি বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠান। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সেনাপ্রধান চার সেনা কর্মকর্তাকে সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) করেন। পাল্টাপাল্টি অবস্থানের এ বিষয়টি গড়ায় উভয়পক্ষের সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান পর্যন্ত।রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান উভয়ই নিজেদের অনুগত কর্মকর্তার মাধ্যমে সেনাদের মার্চ করিয়ে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ‍সৃষ্টি করেন। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি অনুগত বাহিনী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিলে আটক করা হয় সেনাপ্রধান নাসিমসহ সাত উর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তাকে। আটকের আগেই জেনারেল নাসিমকে সরিয়ে সেনাপ

By সাখাওয়াত আল আমিন on সোমবার, ২২ মে ২০১৭ ১৭:৫৪

জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধীদলগুলোর একযোগে পদত্যাগ এবং রাজপথে তুমুল আন্দোলন উপেক্ষা করেই ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফাভাবে নির্বাচন করে বিএনপি। দেশের সব মহলে এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর রাজপথের আন্দোলন তীব্রতর হয়। চরম অবনতি ঘটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির। বিরোধীদলগুলোর আন্দোলন ব্যর্থ করতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় সেনা মোতায়েতের চেষ্টা করেও কাজ হয়নি।১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর উদ্ভুত সংকটকালীন পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা গ্রহণের আহ্বান জানান বলে ওই ঘটনাবলির ওপর রচিত বইপত্রে পাওয়া যায়। তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম এ ব্যাপারে সরাসরি কিছু না বললেও বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তার দেওয়া ব

By সাখাওয়াত আল আমিন on রবিবার , ২১ মে ২০১৭ ১৭:৪০

১৯৯৬ সালের ১৮-২১ মে সেনাবাহিনীর ভেতরে ও বাইরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমের মধ্যে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কথিত অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অভিযোগে জেনারেল নাসিমসহ ৭ উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ওই মাসের ২৬ তারিখ তদন্ত আদালত গঠন করে ১৫ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়। মোট ১২ দিন চলা তদন্তের প্রতিবেদন ৮ জুন হস্তান্তর করা হয় পরিবর্তিত পরিস্থিতে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পাওয়া জেনারেল মাহবুবুর রহমানের কাছে।তদন্ত আদালতের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাত জনকে চাকরিচ্যুত করা হয় এবং অন্য আট জনকে দেওয়া হয় বাধ্যতামূলক অবসর।চাকরিচ্যুত সাত কর্মকর্তা ছিলেন, লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রম, মেজর জেনারেল আ

By সাখাওয়াত আল আমিন on শনিবার, ২০ মে ২০১৭ ২০:১৩