মতামত

তসলিমা নাসরিনকে বেশি ভালো লাগার কারণ হচ্ছে, তিনি অকপটে সত্য বলেন। সত্য যতই নির্মম হোক এর থেকে সুন্দর দ্বিতীয়টি আর নেই। তার প্রতি একরকম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা কাজ করে সেই ৯৮ সাল থেকে। যার ফলশ্রুতিতে আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘বাই সাইকেল’ তাকে উৎসর্গ করেছিলাম। তার সাথে আরও দুজন প্রিয় লেখকও ছিল। আরজ আলী মাতুব্বর ও হুমায়ূন আজাদ। এই তিনজনের প্রতি আমার অনুরাগ অনেক।তসলিমা নাসরিনের পক্ষ নিয়ে এ যাবতকাল অসংখ্য মানুষের সাথে বাদানুবাদ হয়েছে। আজও হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করেন আমি তার অন্ধভক্ত! অন্ধভক্ত বলতে যা বোঝায় আসলে আমি তা নই। তার অনেক চিন্তা ভাবনা, বক্তব্যের সাথেও দ্বিমত পোষণ করি। এটা নিশ্চয় অন্ধভক্তর পর্যায় পড়ে না? অনেকে তাকে নারীবাদ আন্দোলনের অন্যতম নিদর্শন বলেও দাবি করে থাকেন। আমি সেটা মনে ক

By সীমান্ত প্রধান on মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭ ১৭:৪০

অন্য কয়েক মুসলিম দেশের মতো পৃথিবীর একমাত্র দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কোন সম্পর্ক নেই, স্বাভাবিকভাবেই নেই বাণিজ্যিকসহ সকল ধরণের সম্পর্ক। বাংলাদেশের পাসপোর্টে গোটা গোটা অক্ষরে লিখা রয়েছে ALL COUNTRIES OF THE WORLD EXCEPT ISRAEL, মানে সকল দেশের জন্যে প্রযোজ্য হলেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ইসরায়েলে যেতে পারবে না, তারাও আসতে পারবে না; সম্পর্কটা এমন।ইসরায়েলের সঙ্গে এবিরোধ যতটা না ফিলিস্তিনিদের প্রতি আমাদের সংহতি থেকে প্রকাশিত তারচেয়ে বেশি ধর্মীয় এক আবরণ থেকে প্রকাশিত, এখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোন স্বার্থ নেই; নেই বাংলাদেশ জন্মের সাথে সম্পর্কীয় কোনও যোগ। তবে বাংলাদেশের জন্মের সাথে যে রাষ্ট্রের তীব্র বিরোধ সেটা পাকিস্তান। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামের ধারাবাহিক

By কবির য়াহমদ on মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭ ১৪:০৬

তিনি ঢাকাই সিনেমার প্রথম ‘রংবাজ’। স্বাধীন বাংলাদেশে তাকে কেন্দ্রীয় চরিত্র করে জহিরুল হক রংবাজ নামে যে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করলেন; তা ঢাকাই সিনেমার ব্যবসায় একটা মোটা দাগ এঁকে দিয়েছিলো। অবশ্য এর অনেক আগেই তিনি নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছিলেন।মানুষের ইতিহাসে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বরাবরই বেদনার কালোফুল হয়ে ফুটেছে দেশে দেশে। কলকাতার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উদ্বাস্তু হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছিলো অভিনেতা রাজ্জাককে। তারপর বেঁচে থাকার জন্য, টিকে থাকার জন্য লড়াই-সংগ্রামের লম্বা অধ্যায়। তবে প্রতিভার জোরে তিনি হালে পানি পেয়েছিলেন এবং একটু একটু করে নির্মাণ করে নিয়েছিলেন নিজের আসনটি। এদেশে মানুষ তাকে ‘নায়করাজ’ হিসেবেই মেনে নিয়েছিলেন। এবং দীর্ঘসময় ধরে আমাদের চলচ্চিত্র আর রাজ্জাক ছিলেন সম

By ফজলুর রহমান on মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭ ১৩:৩৭

ঘুম থেকে ওঠার পরপর মনটা কাদামাটির মতো নরম থাকে। যে কোনো খবর তখন খুব বেশি প্রভাব ফেলে। যে কারণে আমি খবরের কাগজ এড়িয়ে চলি। কিন্তু ফেইসবুকের খবর এড়াবো কি করে? উত্তরাঞ্চলের বন্যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। পরিচিত, সাহসী, মানবতাবাদী অনেকেই যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন এর মোকাবেলার। তাঁদের প্রতি আমার অকুণ্ঠ সমর্থন এবং ভালোবাসা আছে।এর পাশে কয়েকদিন আগে একটি খবরে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। যেসব দুর্ঘটনা চাইলে এড়ানো যেতো সেগুলোর জন্য মনে হয় কষ্টের পরিমাণ বেশি হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষে পড়ুয়া এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। কার ওপর রাগ অথবা অভিমান করে এই কাজটি সে করেছে, তা জানা নেই। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বাবা, মা আর মেডিক্যাল কলেজে পাঠরত বড় বোনের কথা ভাবছি আমি। সেই বোনের বিয়ে কিছুদিন

By মালবিকা শীলা on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ২৩:০৫

আমরা যে সময় বেড়ে ওঠেছি, তখন বিনোদন বলতে ছিল বেতার, ফুটবল আর সিনেমা। বেতারের অনুষ্ঠান শুনতে তো আর কোথাও যেতে হতো না। মাঠে না গিয়েও টের পাওয়া যেত ফুটবল খেলার স্পন্দন। কিন্তু সিনেমা তো ঘরে বসে দেখার সুযোগ ছিল না। পারিবারিক বিনোদনের প্রধান অনুষঙ্গ ছিল সিনেমা দেখা। সেজে-গুজে সবাই একসঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়াটা ছিল একটা উৎসবের মতো।সেই সময়ে যে সিনেমাগুলো দেখার সুযোগ মিলতো, অবধারিতভাবে নায়ক থাকতেন এক ও অদ্বিতীয় রাজ্জাক। বাংলা চলচ্চিত্রের সেই স্বর্ণযুগে তিনি ছিলেন রাজাধিরাজ। কেন যেন মনে হতো, নায়ক হলে বুঝি এমনই হতে হয়। তখনকার প্রজন্ম তাঁর মতো নিজেকে কল্পনা করতেন। আর কিছু না হলেও তাঁর মতো রোমান্টিক হতে চাইতেন।এ কারণেই বোধহয় সে সময় কারও মধ্যে প্রেমিক প্রেমিক ভাব দেখা গেলে বলা হতো, রাজ্জা

By দুলাল মাহমুদ on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ২২:৫৩

শত্রুতা প্রকাশ দ্বিপাক্ষিক হওয়া লাগে না, অনেক সময় একপাক্ষিক হতেও পারে- এমন এক অবস্থা চলছে দেশজুড়ে। শুরুটা আইনি হলেও একে রাজনৈতিক রঙ দিয়ে কুশীলবেরা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। ফলে একতরফা আক্রমণ চলছে। বলছিলাম, ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায় নিয়ে, যেখানে রাষ্ট্রপক্ষের আইনি পরাজয়ে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা হারিয়েছে সংসদ। এ ক্ষমতা এখন সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের।আপিলের রায় ঘোষণা থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সরকারদলীয় নেতাকর্মী, মন্ত্রীদের একতরফা আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বিরাগের বশবর্তী হয়ে শপথ ভঙ্গের, অপসারণের দাবি জানিয়েছেন একাধিক মন্ত্রী। এ রায় একটা ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদক ড্রাফট করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ ক

By কবির য়াহমদ on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ১৫:১৪

মূল লড়াই শুরু হওয়ার আগে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলবে না অস্ট্রেলিয়া। ফতুল্লার দুর্গন্ধকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন তারা। কিন্তু প্রশ্ন হল, বিসিবি এতদিন সময় পেয়েও কেন ওই দুর্গন্ধ দূর করতে পারল না? আর কেনই বা এমন লজ্জার, বিব্রতকর আর বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হল? এর জন্য দায়ী কে?দায় সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠলে এদেশে একটা পুরনো স্বভাব সবার আগে সামনে চলে আসে। এই যেমন দেশের বড় বড় শহরে জলাবদ্ধতার জন্য কর্তারা একে অন্যের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে পর্দার আড়ালে চলে যেতে চেয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বিসিবি দায় চাপাচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ঘাড়ে। এনএসসির সঙ্গে বেশ কয়েকবার সভা করেও নাকি দুর্গন্ধ দূর করা যায়নি।বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান বল

By সাজ্জাদ খান on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ১৪:০৬

কিছুক্ষণের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মিছিল হবে। মিছিলে থাকবেন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। হাজার হাজার মানুষের স্রোত সমাবেশে। হাজারো মানুষের সমাগমে রীতিমতো মহাসমাবেশের রূপ নিয়েছে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের চতুর্দিক।ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হবার কথা। তাই মঞ্চ নির্মাণ না করে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি ট্রাককে মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ট্রাকের ওপর সে সময়ের প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। চারিদিকে দু’বার ঘুরেছি। গরমে ত্রাহি অবস্থা!ভ্যাপসা গরমে সেদিনের সেই বিকেলে আমরা বেশ কয়েকজন সাংবাদিক রমনা ভবনের সিঁড়িতে বসে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের নোট নিচ্ছিলাম। নিয়মিত তার

By ফরিদ আহমেদ on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ১২:৫৮

আমার জীবনের প্রথম পত্রিকায় লেখা ছাপা হয় বন্যার্ত মানুষদের নিয়ে, ভোরের কাগজে। ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা, আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তখন আজকের মতো শান্ত ছিলো না। গোলাগুলি লেগেই থাকতো। এর মধ্যেই হঠাৎ করে যেন পাল্টে যায় সবকিছু। বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের পাশে দাড়াতে থাকে সব ছাত্র সংগঠন। ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক ছাত্রও।আমি লিখেছিলাম, অস্ত্রের বদলে ছাত্ররা হাতে তুলে নিয়েছে রুটি তৈরির বেলুন। বন্যার কারণে তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।এবারও বন্যা হয়েছে। এর ভয়াবহতা ১৯৯৮ সালের বন্যার চাইতে কম নয়। তবে আগের চেয়ে পার্থক্য হচ্ছে, বানবাসী মানুষের অসহায়ত্ব এখন যেন আর কারো চোখে পড়ে না। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে যতোটুকু আলোচনা, তার ছিটেফ

By পরাগ আজিম on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ১০:১৫

২১ আগস্ট, ২০০৪। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গভীর কলঙ্কজনক দিন। বিএনপি-জামায়াত জোটের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চূড়ান্ত নিদর্শন প্রদর্শিত হয়েছিল এই দিন। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দেশ থেকে চিরতরে নির্মূল করে দেয়ার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে হায়েনা রুপী ‘হাওয়া ভবন’ গং তার হিংস্রতম রুপ দেখিয়েছিল। গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের সমাবেশে। অথচ আওয়ামী লীগের সেই সমাবেশ ছিল সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ বিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। সময় ৫টা বেজে ২২ মিনিট। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শেষ করছেন। ফটোসাংবাদিকদের অনুরোধে কয়েক মুহূর্ত দাঁড়ালেন তিনি। ঠিক সেই সময় অস্থায়ী স্টেজ হিসেবে ব্যবহৃত ট্রাককে লক্ষ্য করে চারদিক থেকে একের পর এক গ্রেন

By আমিনুল হক পলাশ on রবিবার , ২০ অগাস্ট ২০১৭ ২২:১২