মৌলভীবাজার

বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছে বন্যা কবলিত মানুষ। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ত্রাণ সহায়তা পেতেও ভোগান্তিতে ভুক্তভোগীরা। সিলেট:  সিলেটে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানিতে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পাড় উপচে প্রতিদিনই নতুন প্লাবিত হচ্ছে। জেলার ১৩ টি উপজেলার মধ্যে ৮ টি উপজেলার ৫৫ টি ইউনিয়নে প্রায় ৫০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের পানিবন্দি মানুষ মানবেতর জীবন যাপনের পাশাপাশি অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ। মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত র

সিলেট ও মৌলভীবাজারে বন্যার আরও অবনতি হয়েছে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি এলাকা। বেড়িবাঁধেও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বন্যা দুর্গতদের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছেননা তারা। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার উপজেলায় ১শ’টির বেশী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে জেলার ১৭৪ টি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়। ফেঞ্চুগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলায় দুই লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি রয়েছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলায় মোট ৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল বলে অভিযোগ এলাকাবাসির। মৌলভীবাজারের দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সমস্য

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ০৩ জুলাই ২০১৭ ১৬:০৩

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জ উপজেলয় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় জেলায় মোট ৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়ে কুশিয়ারা নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উঠে যাওয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে জেলার ১৭৪টি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়। বন্যায় বেশি ক্ষতি হওয়া ফেঞ্চুগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার বেশিরভাগ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া এই উপজেলায় ৫০টির মতো গ্রাম পানির নিচে। স্থানীয় প্রশাসন বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। মৌলভীবাজার: এদিকে মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়া, রাজনগর ও সদর উপজেলার প্রায় ৩০টি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিক মা

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ০৩ জুলাই ২০১৭ ১২:২০

টানা ভারি বর্ষণের কারণে টিলা ধসে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। দর্শনার্থী প্রবেশে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে ধসের জন্য কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা এবং উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন ইজারাদার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। গাইডওয়াল না থাকায় ভারি বর্ষণে পানির চাপ ধরে রাখা যায়নি বলে মনে করছেন তারা। জনপ্রিয় এ পর্যটন কেন্দ্রটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রকল্প হাতে নেয়ার কথা বলছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। বন বিভাগ জানিয়েছে, গত ১৮ জুন মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের ভেতরে যাওয়ার সড়কের প্রায় ৪০ ফুট দেবে গেছে। জলপ্রপাতে নামার সিঁড়ির পাশে আরও প্রায় ৩০ ফুট জায়গার মাটি সরে গেছে। এর একদিন পরও আবার ধস দেখা যায়, পাশের উঁচু টিলায় ফাটল সৃষ্টি হয়। এজন্য কর্তৃপক্ষের অ

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০১৭ ১১:১৬

টানা বর্ষণে টিলা ধসে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দর্শনার্থীদের সেখানে

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ২৩ জুন ২০১৭ ২২:৪৩

আবারো বৃষ্টিতে নতুন করে পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। নতুন করে পাহাড় ধসের ফলে খাগড়াছড়িতে তিন শিশু এবং মৌলভীবাজারে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ৬ জেলায় পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা ১৫৩ জনে দাঁড়ালো। অবিরাম বর্ষণে গত সোমবার চট্টগ্রাম রাঙামাটি বান্দরবান খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি অঞ্চলে ধস নামে। টানা দু দিনের ধসে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাঙামাটি। সেখানে সেনাসদস্যসহ ১১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় নিখোঁজ হয় অনেকে। উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেও স্থানীয়দের দাবিতে আবারও শুরু করা হয় অভিযান। এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ি অঞ্চলে নতুন করে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাঙামাটি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটসহ নানা সমস্যায় রয়

এম.এ.সালাম, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পাহাড় ধসে মা-মেয়ে নিহত হয়েছে। রোববার ভোররাত ৩ টার দিকে ঢিমাই টিলা ধসে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন আছিয়া বেগম (৪০) এবং ফাহমিদা (১৩)। প্রবল বর্ষণের কারণে

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ১৮ জুন ২০১৭ ১২:৩০

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে মনু, ধলাই ও গোপলা নদীর পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিতি অপিরবর্তিত রয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও রাজনগরে মনু ও ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ১০টি স্থানে ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করে তিন উপজেলার শতাধিক গ্রাম পানির নীচে তলিয়ে যায়। এখনও মনু নদীর ৬টি ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। এছাড়া ধলাই নদীর নতুন এবং পুরাতন ৪ টি ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে জেলার ৭টি উপজেলার জন্য ৪ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০১৭ ১৩:০০

ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা প্রবল ঢল ও গত দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাই নদীতে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে পানিবন্দী ৩ উপজেলার শতাধিক গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, মাছের খামারসহ ফসলি জমি। ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর প্রবল বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতে মনু ও ধলাই নদীতে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। প্রতিরক্ষা বাঁধের ১০টি স্থানে ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করে ৩ উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে বাড়ি ঘর, ফসলি জমিসহ সবজি ক্ষেত। ডুবে গেছে মাছের খামার। পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙ্গন আশংকার কথা আগেই জানানো হয়ে

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭ ১৬:৪৩

এম এ সালাম, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে মনু নদীর বন্যা রক্ষা বাঁধ ভাঙনের কবলে পড়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে শমসেরনগর-চাতলা স্থলবন্দর সড়কের চাতলা সেতু। ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে চলতি বর্ষায় পাহাড়ি ঢলে সেতুটির পশ্চিম দিকের বাঁধ ভেঙে গার্ডার নদী গর্ভে চলে যেতে পারে।  সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা এলাকাবাসীর। কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাপুর বিজিবি ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় মনু নদীর ওপর ১৯৮৫ সালে চাতলা সেতটিু নির্মাণ করা হয়। সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢলে সেতুর পশ্চিম পাশের গ্রাডারের কাছে ভাঙন ও বিশাল এলাকা জুড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। অব্যাহত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বর্ষাতেই পাহাড়ি ঢলে বাঁধ সম্পুর্ণ ভেঙে যেতে পারে বলে আ

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ৩১ মে ২০১৭ ০৯:৫১