বান্দরবান

টানা বৃষ্টিতে আবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন পাহাড়ের নিচে বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া যেসব এলাকায় বন্যার পানি নেমে গিয়েছিল সেখানেও বৃষ্টি আর উজানের ঢলে নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা।বান্দরবান ভারী বৃষ্টিতে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে আবারও পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বান্দরবান সদর, লামা, আলিকদম, নাইক্ষ্যংছড়িসহ ৭ উপজেলায় সর্তকতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব এলাকায় কমপক্ষে ১০ হাজার পরিবার পাহাড়ের নিচে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।রাঙামাটি রাঙামাটিতে আবারও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় আতঙ্কিত জেলাবাসী। পর্যটন শিল্পের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল এই জেলা এখন পর্যটন শুন্য হয়ে পড়েছে।

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের রুমা বাজারে পাহাড় ধসের ঘটনায় একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে আরও দুই জন। এছাড়া পাহাড় ধসের পর মাটিচাপা থাকা আরো চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিহতের নাম শিংমেলা মারমা (১৯)। নিখাঁজ দু’জন হলেন, সিংম্যা চিং(১৭) এবং মুন্নী বড়ুয়া (৩৫)।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবল বর্ষণের কারণে রোববার দুপুরে বান্দরবানের রুমা বাজারে আবারও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। রাস্তা পার হওয়ার সময় পাহাড় ধসে কিছু মানুষের উপরে পড়ায় মাটিচাপা পড়েন তারা। এই ঘটনার পর থেকেই বান্দরবান-রুমা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।মাসখানেক আগের পাহাড় ধসের বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার নতুন করে পাহাড় ধসের শিকার হলো এই পার্বত্য এলাকা।নিখোঁজদের উদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থ

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২৩ জুলাই ২০১৭ ১৬:৫৭

প্রবল বর্ষণের কারণে রোববার দুপুরে বান্দরবানের রুমা বাজারে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। মাসখানেক আগের পাহাড় ধসের বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার নতুন করে পাহাড় ধসের শিকার হলো এই পার্বত্য এলাকা।এবারের পাহাড় ধসের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।তবে এই ঘটনার পর থেকেই বান্দরবান-রুমা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।এর আগে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের রামু উপজেলা অংশের হিমছড়ি এলাকার খাড়া ঝর্ণাতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একজনের মৃত্যু হয়।এর মাসখানেক আগে পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় প্রাণ হারায় দেড়শতাধিক মানুষ।

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২৩ জুলাই ২০১৭ ১৬:০১

হাসান ইসমাইল, বান্দরবান প্রতিনিধি: ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড় ও সড়ক ধসে বন্ধ হয়ে যাওয়া বান্দরবান -রুমা উপজেলার প্রধান সড়কে একমাসেও যানচলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে উপজেলাবাসী।এছাড়া যানচলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় পুরো উপজেলায় দ্রুত বাড়ছে পাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনী জিনিসপত্রের দাম। নষ্ট হচ্ছে উৎপাদিত কাঁচামাল। আর যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকায় ধস নেমেছে পর্যটন ব্যবসায়।ভারী বৃষ্টিপাতে গত ১২জুন জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে দলিয়ানপাড়া এলাকায় পাহাড় ও সড়ক ধসে রুমা উপজেলা সাথে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।  তখন থেকেই সড়কটি পূণরায় যানচলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী ১৯ ইসিপি’র সদস্যরা।বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭ ১০:২৬

বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছে বন্যা কবলিত মানুষ। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ত্রাণ সহায়তা পেতেও ভোগান্তিতে ভুক্তভোগীরা।সিলেট:  সিলেটে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানিতে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পাড় উপচে প্রতিদিনই নতুন প্লাবিত হচ্ছে। জেলার ১৩ টি উপজেলার মধ্যে ৮ টি উপজেলার ৫৫ টি ইউনিয়নে প্রায় ৫০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের পানিবন্দি মানুষ মানবেতর জীবন যাপনের পাশাপাশি অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ।মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত র

বঙ্গোসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে অবিরাম বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ধসে এখন পর্যন্ত ৫৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।বিভিন্ন জায়গায় ধসের শিকার হয়ে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা। চট্টগ্রাম চট্টগ্রামের ধোপাছড়ি এলাকাতেও প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বান্দরবান সীমান্তে ধোপাছড়িতে ৪জন ও রাঙ্গুনীয়া উপজেলার রাজানগর ও ইসলামপুরে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ২জন। অবিরাম বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ কসাইপাড়া এলাকায় প্লাবিত হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজা

নিম্নচাপের কারণে অবিরাম বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে পাহাড় ধসে এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।বিভিন্ন জায়গায় ধসের শিকার হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা।চট্টগ্রাম চট্টগ্রামের ধোপাছড়ি এলাকাতেও প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।রাঙ্গামাটি রাঙ্গামাটির বেদভেদি এলাকায় সোমবার রাতে পাহাড় ধসে কমপক্ষে ১৪ জন মারা গেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।বান্দরবান বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানেও পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৩ শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ পাহাড় ধস

নিম্নচাপের কারণে অবিরাম বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৩ শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, সুমন বড়ুয়ার সন্তান শুভ বড়ুয়া (৮) মিতু বড়ুয়া (৬) লতা বড়ুয়া (৫)। অপর পাহাড় ধসের ঘটনায় কালাঘাটা এলাকায় রেভা ত্রিপুরা (১৯) নামে বান্দরবান সরকারী কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। এ ছাড়াও লেমুঝিরি আগা পাড়ায় পাহাড় ধসে মা-মেয়ে নিখোজ রয়েছে। তারা হলেন কামরুন নাহার (২৭) সুকিয়া আক্তার (৮)।বান্দরবানের কালাঘাটাপাড়া ও লেমুঝিড়ি আগাপাড়ার বাসিন্দারা জানান, টানা বৃষ্টিতে কালাঘাটাপাড়ায় পাহাড়ের নিচের একটি বাড়ি ধসে পড়লে একই পরিবারের ৩ শিশু মারা যায়। লেমুঝিড়িতে বাড়ি ধসে নিখোঁজ হন মা-মেয়ে।ভোর ৪টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ক

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০১৭ ০৯:১৯

বান্দরবানের পাহাড়, খাল ও ঝিরি-ঝর্ণা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন চলছে। বোল্ডার মেশিনে ভেঙ্গে এসব পাথর বিক্রি করা হচ্ছে। পাথর তুলে নেওয়ায় পাহাড়ের ইকো-সিস্টেম নষ্ট হচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ছড়া-ঝিরিগুলোতে

By মো. জাহিদুজ্জামান on শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৭:৫৪

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৩:৫৭