কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ৭ বছরের শিশু আরজিনা অপহরণের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীসহ ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। শিশু আরজিনার পরিবারের অভিযোগ, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্যই আরজিনাকে অপহরণ করা হয়েছিল। এর আগে অপহরণের ১২ দিন পর আরজিনাকে গাইবান্ধার এক পুলিশ কর্মকর্তার রংপুরের ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের হাজিপাড়া গ্রামের দরিদ্র আক্কাছ আলী ও মরিয়ম বেগমের কন্যা আরজিনা। বাবা মা ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করায় শিশু আরজিনাকে কুড়িগ্রামের উলিপুরে রূপার খামার গ্রামে নানা মমিজ উদ্দিনের বাড়ীতে রাখেন। গত ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় নানা বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয় শিশু আরজিনাকে। তখন অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান মেলেনি আরজিনার। পরে ১৮ আগষ্ট সন

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৭ ০৯:৪৪

দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও গাইবান্ধা রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবনতি হয়েছে। নদ নদীর পানি বেড়ে এবং বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফরিদপুর জামালপুর নেত্রকোনা এবং শেরপুরে এখনো পানিবন্দি লাখ লাখ মানুষ। টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পৌলী ব্রিজ এলাকায় রেললাইনের মাটি ধসে যাওয়ায় ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। টাঙ্গাইল: বন্যার কারণে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পৌলী ব্রিজ এলাকায় রেললাইনের মাটি ধসে যাওয়ায় ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল রুটে সব ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ওই রুটের টিকিট ফেরত দিচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। র

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বন্যার পানি সামান্য কমলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। যেসব অঞ্চলে পানি কমেছে সেখানে চলছে বিশুদ্ধ পানি আর খাবারের তীব্র সংকট। এরই মধ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর। কয়েক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে গেছে বন্যার কারণে। রংপুর: রংপুরের ৩০টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ লাখ মানুষ এখন পানিবন্দী। কোথাও কোথাও ১০ থেকে ১৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে বসতি এলাকা। মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে পুল-কালভার্টসহ উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র,ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করলেও করতোয়ার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নতুন করে ১০ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে বগুড়া-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক তলিয়ে যাওয়ায় ভারি যানবাহন

শ্যামল ভৌমিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ৯ উপজেলার ৬০ ইউনিয়নের প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ।বন্যায় এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে একজন ও পানিতে ডুবে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘর-বাড়ী ছেড়ে বানভাসী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ উচু জায়গায় ও পাকা সড়কে। পানি প্রবল বর্ষণে  ভেসে গেছে প্রায় দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি। অনেক পরিবার এক কাপড়ের অবস্থান করছেন নিরাপদ আশ্রয়ে। বাঁধে ও পাকা আশ্রয় নেয়া পরিবার গুলো অভিযোগ করেন গত ৩দিন থেকে খোলা আকাশের নীচে অবস্থান করলেও কেউ কোন সাহায্য পাননি। অনেকে অভিযোগ করেন দিনে এক বেলাও খাবার জুটছে না তাদের। কুড়ি

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭ ২৩:৪২

উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি জেলায় আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। রংপুর: রংপুরের গঙ্গচড়ায় তিস্তার নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সেই সঙ্গে ভাঙনের মুখে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে নদী র্তীরবর্তী এলাকার বিদ্যালয়গুলো। গঙ্গাচড়া সদর, কোলকোন্দ, আলমবিদিতর, লক্ষ্মীটারী ও নোহালী ইউনিয়নে নদী তীরবর্তী ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। রাজারজাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ারচরে বাঁধ ভেঙ্গে এক নারী ও শিশু নিখোঁজ হয়

টানা বৃষ্টিতে আবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন পাহাড়ের নিচে বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া যেসব এলাকায় বন্যার পানি নেমে গিয়েছিল সেখানেও বৃষ্টি আর উজানের ঢলে নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা। বান্দরবান ভারী বৃষ্টিতে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে আবারও পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বান্দরবান সদর, লামা, আলিকদম, নাইক্ষ্যংছড়িসহ ৭ উপজেলায় সর্তকতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব এলাকায় কমপক্ষে ১০ হাজার পরিবার পাহাড়ের নিচে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। রাঙামাটি রাঙামাটিতে আবারও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় আতঙ্কিত জেলাবাসী। পর্যটন শিল্পের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল এই জেলা এখন পর্যটন শুন্য হয়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রামের বন্যার্ত বহু মানুষের ভরসা কলার ভেলা। যোগাযোগ-রান্নাবান্না, থাকা খাওয়া সবকিছুই তারা সারছেন কলার ভেলার উপর। পর্যাপ্ত কলাগাছ না থাকায় ভেলাও তৈরি করতে পারছেন না অনেকেই। গত ১০দিন ধরে বন্যার পানিতে ভাসছে কুড়িগ্রাম জেলার ৪২ ইউনিয়নের ৫শত ৪১ গ্রাম। এসব এলাকার অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিলেও বাকীরা রয়েছেন ঘরে মাচা বেঁধে। অথবা পাশ্ববর্তী উঁচু স্থানে। এই সুযোগটুকুও যাদের নেই তাদের যোগাযোগের প্রধান ভরসাই এখন কলার ভেলা। যাদের একটু সাধ্য আছে তারা ডিঙি নৌকা সংগ্রহ করলেও অভাবী মানুষ কলার গাছের ভেলা তৈরি করে সারছেন তাদের যাবতীয় কাজ-কর্ম। অনেক এলাকায় কলা গাছের সংকট দেখা দিয়েছে। এই সুযোগে অনেকে চড়া দামে বিক্রি করছেন কলাগাছ। নিম্নাঞ্চল সমূহের প্রতিটি ব

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ১৬ জুলাই ২০১৭ ১০:৪৭

শ্যামল ভৌমিক: কুড়িগ্রামে বন্যায় সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া সবজি ক্ষেত এখন কোনোভাবেই রক্ষা সম্ভব নয় বলে মনে করছে কৃষক এবং কৃষি বিভাগ। তারা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার আগেভাগেই বন্যা চলে এসেছে। তাই যেসব নিচু এলাকা থেকে কৃষকরা বন্যার আগেই সবজিসহ বিভিন্ন ফসল তুলে নিতে চেয়েছিলেন, তা পারেননি। এর ফলে বড় ধরণের ক্ষতির শিকার হয়েছেন প্রান্তিক কৃষক। গত কয়েকদিনের বন্যায় ইতোমধ্যে জেলা সদরের মোগলবাসা, যাত্রাপুর, পাচগাছি, হলোখানা, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া, বুড়াবুড়ি, চিলামারী উপজেলার নয়ারহাট, সাহেবের আলগাসহ ৪০ ইউনিয়নের ৪শ’ ৫০ গ্রাম পানিতে ডুবে আছে। কৃষি বিভাগ বলছে, এরই মধ্যে ৩ হাজার ৩শ’ ২০ হেক্টর জমির সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল পুরোপুরি ডুবে গেছে। বিস্

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭ ১৬:২৩

টানা বৃষ্টিতে প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এর ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য সংকটের পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিলমারী উপজেলার কাচকোলে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ৫০ মিটার বাঁধ ও রৌমারী উপজেলার যাদুর চরে কত্তিমারী বাজার রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জেলার ৭ উপজেলার ৪২ ইউনিয়নের ৫শ’ গ্রামের ২ লক্ষাধিক মানুষ গত ৭দিন ধরে পানিবন্দী জীবন যাপন করছে। অনেক পরিবার বাড়ি-ঘর ছেড়ে উচুঁ জায়গায় আশ্রয় নিলেও এসব এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ১শ’ ৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠায় শিক্ষা কার্যক্

টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, জামালপুর ও গাইবান্ধার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ১২ নদীর ১৭টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ২ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী। কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করছে। ২০টি ইউনিয়নের নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের দেড় শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। পানিবন্দী থাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট দেখা দিয়েছে। টাঙ্গাইল: উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে যমুনা নদীর পনি। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে টাঙ্গাইলের নলীন পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ভূঞাপুর উপজেলার তিন ইউনিয়ন ও গোপা