কৃষি

মহিউদ্দিন মুরাদ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে এবার প্রায় একশ’কোটি টাকার নারকেল উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। এই এলাকার নারকেল মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে ভালো। লক্ষ্মীপুরে বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা কৃষিজমির আশপাশে পতিত জমিতে নারকেল গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। এ অঞ্চলে দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নারকেল চাষ। দু’হাজার ছয়’শ ৫০ হেক্টর জমিতে নারকেল বাগান রয়েছে এখানে। জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই দু’চারটি করে হলেও নারকেলের গাছ রয়েছে। এ ছাড়া রাস্তার পাশের পুকুর, জলাশয়, নদীর পাড়ে বিচ্ছিন্নভাবে এবং বাগান আকারে নারকেল আবাদ করছেন কৃষক। পরিকল্পিতভাবে নারকেল বাগান গড়ে তোলা হলে আরো ভালো ফলন পাওয়া যাবে আশা করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, প্রত

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২৮ মে ২০১৭ ১০:১০

প্রচণ্ড দাবদাহ ও অনাবৃষ্টিতে যশোরের মাছ চাষে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পানির অভাবে রেণু পোনা ব্যবস্থাপনাও কঠিন হয়ে পড়েছে যশোরের চাঁচড়া হ্যাচারিপল্লীতে। বন্ধ রয়েছে বেচাকেনা। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন হ্যাচারি মালিকরা। দেশের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ রেণু পোনা যশোর থেকে সরবরাহ করা হয়। চাঁচড়া হ্যাচারিপল্লীর ৮২টি হ্যাচারিতে গত বছর প্রায় দু’লাখ ৬০ হাজার কেজি রেণু উৎপন্ন হয়। চৈত্র থেকে মধ্য আষাঢ় রেণুপোনা উৎপাদনের ভরা মৌসুম। গত চারদিন ধরে তাপমাত্রার দেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে যশোরে। এতে মারাত্মক বিপর্যয় নেমে এসেছে মাছ চাষে। রেণু পোনা ও চারা মাছ উৎপাদন নেমে এসেছে অর্ধেকে। বৈরি জলবায়ু পরিস্থিতি মোকাবিলার মতো কোনো কৌশল ও প্রযুক্তিও হাতে নেই চাষী ও হ্যাচারি মালিকদের।হ্যাচারি মালিকরা

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২৭ মে ২০১৭ ১১:৩২

পাবনায় আখ চাষিদের উৎসাহিত করতে ও জমির সীমাবদ্ধতা কাটাতে জোড়া সারি পদ্ধতিতে আখ চাষ শুরু হয়েছে। এ পদ্ধতিতে একই জমিতে আখের সাথে আরো তিনটি ফসল ঘরে তুলছেন কৃষক। জোড়া সারি পদ্ধতি উদ্ভাবন করে সন্তুষ্ট

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ২৬ মে ২০১৭ ২২:৫৮

শাহীনা আজমীন,বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালে বোরো ধানের আবাদ এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর হেক্টর প্রতি উৎপাদনও বেড়েছে। এ অঞ্চলে বোরোর আবাদ একটু দেরিতেই শুরু হয়। আর এ কারণে এ বছরের আগাম বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়নি কৃষককে। বরিশালের ১০ উপজেলায় এবার ৫১ হাজার ছয়শ’ ২৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্য ধরা হয়েছিলো। আবাদ হয়েছে ৫৩ হাজার তিনশ’ ১০ হেক্টরে। রোগবালাই না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে বলেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর এলাকায় বোরো মৌসুমের উচ্চফলনশীল জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭৪ এর প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে মাঠ দিবস হয়েছে। এ পর্যন্ত ৯০ ভাগেরও বেশি ধান কাটা শেষ হয়েছে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ২৪ মে ২০১৭ ১০:৩৭

দীর্ঘ আড়াই মাস পর আবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে মাছ রপ্তানি করা হয়েছে। সোমবার দুপুর থেকে মাছ রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। তবে রপ্তানিকৃত মাছে ফরমালিন পাওয়া গেলে আবারও আমদানি বন্ধ রাখার শর্ত দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। আখাউড়া স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি নিছার উদ্দিন ভূইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ হাজার ২শ’ কেজি মাছ ত্রিপুরায় ঢুকেছে। মাছে ফরমালিন মেশানোর অভিযোগে দীর্ঘদিন মাছ আমাদানি বন্ধ রাখাকে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ‘ষড়যন্ত্র’ বলেও দাবি করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। এর আগে বাংলাদেশি মাছে ফরমালিন পাওয়ার অভিযোগ এনে গত ৬ মার্চ থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মাছ আমদানি ব

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ২২ মে ২০১৭ ১৬:০১

দেশে পাঁচ-ছয় বছরে ভূট্টার আবাদ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। পশ্চিমাঞ্চলের পর এবার প্রথম উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলিতে কৃষকের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসলে পরিনত হয়েছে ভূট্টা। তারা বলছেন, উন্নত বীজ ও বাজার নিশ্চিত করা গেলে ভূট্টা আবাদ করে আরো আর্থিক সাফল্য আনা সম্ভব। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে দেশে ভূট্টার আবাদ ছিলো ১৫ দশমিক ৫২ লাখ টন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই আবাদ বেড়ে পৌঁছে ২৭ দশমিক ৫৯ লাখ টন। তবে এবার কৃষি বিভাগ ৩৫ লাখ টন ভূট্টা উৎপাদনের আশা করছে। কম উপকরণ ব্যয় আর ঝামেলা মুক্ত কৃষির বিবেচনায় এখন ধান, কলাসহ অন্য যেকোন ফসলের তুলনায় ভূট্টার চাষ গুরুত্ব পাচ্ছে কৃষকের কাছে। পঞ্চগড়, ‍ঠাকুরগাঁ ও দিনাজপুরসহ রংপুর অঞ্চলের বড় একটি অংশ এখন ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা। কৃষকের ব্যস্ততা ভূট্টা তোলা ও মাড়াই ও শুকান

By শাইখ সিরাজ on সোমবার, ২২ মে ২০১৭ ১২:২৭

ফারুক হোসেন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় ঝিনুকের চুন তৈরির ঐতিহ্য এখনও ধরে রেখেছে জুগিপাড়া গ্রামের পরিবারগুলো। অভাব-অনটন আর পুঁজির অভাব থাকলেও বংশ পরস্পরায় তাদের অন্যতম প্রধান পেশা চুন তৈরি। তাদের তৈরি চুন চলে যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে একটু দূরেই রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ওই ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম জুগি পাড়া। শত বছর ধরে বংশ পরস্পরায় ওই গ্রামের বাসিন্দারা ঝিনুকের চুন তৈরির সাথে যুক্ত। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ঝিনুক কিনে নানা প্রক্রিয়ায় চুন তৈরি করে তারা। পুঁজির অভাবে পূর্বপুরুষের ঐতিহ্যবাহী এ পেশা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে, জানাচ্ছে চুন তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। এই শিল্পকে বাঁচাতে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এমনটাই আশা জুগি পরিবার

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২০ মে ২০১৭ ১২:৫০

পরীক্ষামূলকভাবে গলদা চিংড়ি চাষে সাফল্য অর্জন করেছে কুড়িগ্রামের সরকারি মৎস্য খামার। মিঠা পানিতে গলদা চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় চিংড়ি হ্যাচারীতে গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদন কার্যক্রম চলছে। কুড়িগ্রাম সরকারি মৎস্য খামারে ২০১৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে গলদা চিংড়ি চাষের উদ্যোগ নেয়া হয়। পটুয়াখালীর দুমকি এলাকার পায়রা নদী থেকে মা গলদা চিংড়ি সংগ্রহ করে কক্সবাজার থেকে লোনা পানি এনে চিংড়ি হ্যাচারিতে হ্যাচিং শুরু হয়। আড়াই বছর ধরে নিবিড় গবেষণার পর হ্যাচারিতে ৩৫ দিন বয়সী চার থেকে পাঁচ লাখ রেণু জীবিত পাওয়া যায়। কুড়িগ্রাম সরকারি মৎস্য খামার ইতোমধ্যে এ খামার থেকে চাষি পর্যায়ে গলদা চিংড়ির রেণু পোণা বিক্রি করা হচ্ছে। চলতি বছর জেলার ৯ উপজেলার মিঠা পানিত

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২০ মে ২০১৭ ১২:৩৩

রাঙ্গামাটিতে কলার ভালো ফলন হলেও বাজারে দাম না থাকায় লোকসান গুনছেন কৃষক। তারা জানান, বেশিরভাগ কলা মধ্যস্বত্তভোগীর মাধ্যমে জেলার বাইরে চলে যাচ্ছে। রাঙ্গামাটির ১০ উপজেলায় প্রতি বছর প্রচুর কলা চাষ হয়। এর মধ্যে বাংলা কলা ও চম্পা কলা অন্যতম। সব উপজেলার বাজারগুলোতে কলা উঠছে। কিন্তু মধ্যসত্ত্বভোগীদের কারণে কলার দাম পাচ্ছে না কৃষক। ব্যাপারিরা জানান, খরচ বেশি হওয়ায় তারা কৃষককে ন্যায্য দাম দিতে পারছেন না। কলা পাঠানোর খরচ বেশি, পরিবহনে চাঁদাও দিতে হয়। কৃষি বিভাগ বলছে, দুর্বল বাজার ব্যবস্থা ও ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটের কারণে চাষি ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। কৃষি বিভাগের হিসেব, চলতি বছর ১৪ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে তিন লাখ ২৭ হাজার একশ’ ৩০ মেট্রিক টন কলার আবাদ হয়েছে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ১৯ মে ২০১৭ ১৬:৩৩

এবারের বোরো মৌসুমে বড় এক বিপর্যয় ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ। দেশের গোটা উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে জুড়ে এই রোগের কারণে এবার বোরোর ফলনে বড় ধরনের ঘাটতির আশংকা করছেন কৃষক। যদিও কৃষি বিভাগ এই ক্ষতিকে গৌণ হিসেবে দেখছে, কিন্তু এ কারণে ইতোমধ্যে সীমাহীন বিপর্যয়ে পড়েছেন বহু কৃষক। ধানের এই বড় মৌসুমে কৃষকের স্বপ্ন পূরণ করে ঘরে ফসল ওঠার আগেই পুড়ে গেছে কপাল। ঘাড় ভেঙ্গে জ্বলে পুড়ে গেছে ধানের শীষ। দূর থেকে বোঝা না গেলেও কাছে গেলে টের পাওয়া যায় এর ভয়াবহতা। পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ইসলামপুরের বিস্তীর্ণ একটি বোরো ক্ষেতের কমপক্ষে ১০০ বিঘার ফসল এভাবে নষ্ট হয়েছে বলে কৃষকদের দাবি। আশেপাশের এলাকার চিত্রও একই। এখানকার সব কৃষকই কেউ শতভাগ, কেউ আশিভাগ ক্ষতির শিকার। তারা বলছেন, এই বিপদে কৃষিবিভাগকে নাগালে পাওয়া যায়নি।

By শাইখ সিরাজ on শুক্রবার, ১৯ মে ২০১৭ ১৫:২৫