মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে কিছু না বললেও ঠিক একদিন পর এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে দৃঢ় ও দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওই অবস্থানের কথা জানান ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

মাইক পেন্স বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ নৃশংসতার অভিযোগ করে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ ও দীর্ঘমেয়াদে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার আহ্বান জানান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

এছাড়া রাখাইনে সহিংসতা এবং রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসাকে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি উল্লেখ করে সংকটের অবসান না হলে তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

অবশ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হেনরি ভ্যান থিও বলেছেন, রাখাইনে মানবাধিকার লংঘনের বিচার হবে ন্যায়বিচারের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী।

তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি এড়াতে সেনাবাহিনীকে পূর্ণ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালাচ্ছে।

টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সহযোগী দেশগুলোকে গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের বিরুদ্ধে উদ্যোগ নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।