ব্রেক্সিট সম্পর্কে দেশবাসীকে জাগিয়ে তুলতে এবং তাদের মত পরিবর্তনে প্রভাবিত করতে একটি  ‘মিশন’ ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। ব্রেক্সিট সম্পর্কে ধারণা না নিয়েই জনগণ গণভোটে অংশ নিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেছেন লেবার পার্টির এই নেতা। তবে ‘মিশনের’ বিস্তারিত তিনি পরে জানাবেন।

বিবিসি জানায়, ব্রিটেনকে বর্তমান সঙ্কট থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে তিনি সমর্থন চাইতে পারেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই সাথে তিনি ব্লেয়ার সরকারের অভিবাসন নীতি নিয়েও কথা বলতে চান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) থাকার পক্ষে প্রচারণা চালানো এই নেতা বলেন, ‘তিনি গণভোটের রায় মেনে নিয়েছেন, কিন্তু নতুন করে ব্রেক্সিট নিয়ে ভাবতে হবে। এটা স্পষ্ট আমরা কোথায় যাচ্ছি। ইইউতে থাকার পক্ষে মতামত দেয়া ১ কেটি ৬০ লাখ লোকের মতামতকে উপেক্ষা করা যায় না।’

তবে ব্লেয়ারের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন সাবেক কেবিনেট মন্ত্রী ইরান ডানকান। তিনি ব্লেয়ারের বক্তব্যকে উদ্ধত এবং পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ব্রেক্সিট নিয়ে যা হচ্ছে তা প্রতিশ্রুতি মোতাবেক হচ্ছে বলে জানানো হয়।

যদিও গত সপ্তাহে ব্রেক্সিট নিয়ে হাউজ অফ কমন্সের এমপিরা নড়েচড়ে বসায় প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে আগামী মার্চে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে চান।