ঘরের মাঠে টানা তিন ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরু করেছিল সিলেট সিক্সার্স। ঢাকা পর্বে টানা তিন জয় পেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সও। মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে কুমিল্লা। এতে পয়েন্ট টেবিলে ঢাকা ডায়নামাইটসের সঙ্গে শীর্ষে এখন তামিম ইকবালের দল।

সিলেট পর্বে প্রথম দেখায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল চিটাগং ভাইকিংস। এবার হারল ৬ উইকেটে। ফিফটির পথে থাকা ইমরুল কায়েস ও ম্যাচ একপেশে করে দেয়া জস বাটলার উইকেট বিলিয়ে না এলে হতে পারত সিলেট পর্বের পুনরাবৃত্তিই! মিরপুরে চিটাগংয়ের করা ১৩৯ রান কুমিল্লা টপকেছে ১১ বল হাতে রেখে।

ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার ম্যাচে তামিম ইকবাল ১০ বল খেলে করেছেন মাত্র ৪ রান। দলের আইকন ক্রিকেটার কিছু না করতে পারলেও ইমরুল কায়েস ও জস বাটলারের ব্যাটে কুমিল্লা জিতেছে হেসেখেলেই।

৪৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল। জয় থেকে ৬ রান দূরে রেখে ফেরেন জস বাটলার। এই ইংলিশ ক্রিকেটার করেন ৪৪ রান। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকেন মারলন স্যামুয়েলস। ক্যারিবীয়ানের ৮ বলে ১৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছক্কার মার দুটি। লেগস্পিনার তানবীর হায়দারকে লংঅফের উপর দিয়ে ছক্কা মেরে খেলা শেষ করেন।

আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে চিটাগংয়ের ওপেনিং জুটির ৫ ওভারেই চলে আসে ৪৬ রান। লুক রঞ্চির বিদায়ে ‍জুটি ভাঙলেও দিলশান মুনাবিরাকে নিয়ে সৌম্য সরকার উইকেটে থাকলেন আরও কিছুক্ষণ। ৩০ রান করে সৌম্য সাজঘরে ফেরার পর থেমে যায় রানের চাকা।

দলটির তিন ব্যাটসম্যানের স্ট্রাইকরেট একশ’র নিচে। সৌম্য ৩২ বল খেলে করেন ৩০ রান। সিকান্দার রাজা ২৪ বলে ২০, দিলশান মুনাবিরা ২৫ বলে ১৯। এই তিন ব্যাটসম্যানের ধীরগতির কারণেই হাতে ৬ উইকেট রেখেও লড়াকু পুঁজি পায়নি চিটাগং। একটু ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু রঞ্চি। ১৯ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলেন এ কিউই ওপেনার।

কুমিল্লার হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নবী, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ডোয়াইন ব্রাভো ও রশিদ খান।