চুলকে নরম, মসৃণ এবং ঝলমলে করে তুললে কন্ডিশনারের জুড়ি নেই। চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কন্ডিশনার খুবই জরুরী। বিশেষ করে শীত কালের রুক্ষ আবহাওয়ায় কন্ডিশনার ছাড়া চুল একেবারেই নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। সঠিক নিয়মে কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল থাকে ঝলমলে। কিন্তু ভুল নিয়মে কন্ডিশনার ব্যবহার করলে ফলাফল হয় উল্টা। জেনে নিন কন্ডিশনারেরের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে।

চুলের গোঁড়ায় কন্ডিশনার ব্যবহার নয়: চুলের গোঁড়ায় অর্থাৎ মাথার তালুতে কখনই কন্ডিশনার লাগানো উচিত নয়। এতে চুল তেলতেলে হয়ে থাকে এবং চুল পড়া বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় খুশকির উপদ্রব। কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হয় চুলের আগায় এবং পুরো চুলে। সতর্কভাবে ব্যবহার করুন যেন কিছুতেই মাথার তালুতে কন্ডিশনার লেগে না যায়।

ব্যবহারের পদ্ধতি: মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নেয়ার পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হয়। তবে কন্ডিশনার ব্যবহারের পরে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হয় চুলে। কন্ডিশনার লাগিয়েই ধুয়ে ফেললে কোনো কাজ হয়না। পুরো চুলে ভালোভাবে কন্ডিশনার লাগানোর পর কমপক্ষে তিন মিনিট অপেক্ষা করুন। এতে কন্ডিশনারের উপাদান চুলের গভীরে ঢুকে চুলকে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করবে। এরপর অবশ্যই ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করে চুল ধুয়ে ফেলুন। গরম পানি ব্যবহার করলে কন্ডিশনার ব্যবহারের পরেও চুলের রুক্ষতা কমবে না বরং চুল পরা বেড়ে যাবে।

ডিপ কন্ডিশনিং: নিয়মিত লাইট কন্ডিশনার ব্যবহারের পরেও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মাসে একবার বা দুইবার ডিপ কন্ডিশনিং করা প্রয়োজন। বাজারে ডিপ কন্ডিশনার কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে বাড়িতেও ডিমের সাদা অংশ, কলা এবং অলিভ অয়েল ব্লেন্ড করে ডিপ কন্ডিশনার তৈরি করে নিতে পারে। কেমিক্যাল ডিপ কন্ডিশনার চুলের আগায় ভালো করে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। আর বাড়িতে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদানের ডিপ কন্ডিশনিং হেয়ার প্যাকটি চুলের আগা এবং গোঁড়ায় লাগিয়ে একঘণ্টা রেখে তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।